অপরিসীম সুইচিং করার ক্ষমতা আছে মানুষের-- নিজেদের এই ক্ষমতা শয়তানীর কাজে ব্যাবহার করতে পারে; তারা এটা ওয়াকিবহাল হয়-- আলোচনাকে উপর নীচ করে ঠেলে দিতে সক্ষম-- তারা গায়ের জোরে হলেও সেটা সম্ভব করে ছাড়বে।
মানুষের খাসলত হচ্ছে অপরিসীম সুইচিং করার ক্ষমতা। নিজেদের এই ক্ষমতা শয়তানীর কাজে ব্যাবহার করতে পারে তারা এটা ওয়াকিবহাল। আলোচনাকে উপর নীচ করে ঠেলে দিতে সক্ষম তারা গায়ের জোরে হলেও সেটা সম্ভব করে ছাড়বেই। কেবল মাত্র চাকরী বাকরীর ক্ষেত্র এই সুইচ করার বিশেষ ক্ষমতা কিছুটা কমলেও অন্যদিকে আবার আবোলতাবোল বকা কিংবা ব্লা ব্লা করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। শুধু একটা উপলক্ষ পেলেই হল। তাই আমি শুরুতেই বুঝে নিতে চাই যে আসলে বক্তার মূল বক্তব্যটা কি হতে পারে। যেন মূল্যবান সময়টা নস্ট না হয়। পরীক্ষার খাতায় জার্নী বাই ট্রেইন লিখতে নদীতে ফালাইয়া জার্নী বাই বোটে চলে যায়।
ধন্যবাদ। আল্লাহ আমাকে পড়বার মত সুযোগ 'ইক্বরা' দিয়েছিলেন কিন্তু মানুষের উপকারে না আসলে লিখে লাভ কি। আজকাল আবার সোস্যাল মিডিয়াতে লিখে কিছু প্র সিদ্ধী লাভ করলে আর বাহ্ বা পেলেই নাকি বই টই ছাপানো যাবে। কারো মধ্যেই এখনকার যুগে 'ইক্বরা' আছে কিনা আমি জানিনা। এটা ভয়ানক। চারদিকেই মচ্ছব। কেউই একটু বলছেনা 'ওমা' কি তামশা
আমাদের বাবা মা এবং টিচাররাও অনেকসময় বলতেন ''অপদার্থ''। আমি নিজেই বুঝতেছি চারিদিকে পদার্থবিজ্ঞান পড়েও কিভাবে নিউটন না হয় ''অপদার্থ'' তৈরী হচ্ছে, দেশে বিদেশের পোস্টগুলি দেখলে ক্লিয়ার সবকিছু। ভয়ানক শিক্ষিত লোকেরা।
জ্বী। হারতে গিয়ে এটাই শিখলাম।অবশেষে জানলাম ভালোবাসা মানুষ না ও বুঝতে পারে। তারা শুধু জানে কিভাবে অপরীসীম ক্ষমতা গুলি কাজে লাগাতে হবে।
মানুষ আত্মিক চিন্তা করতে সক্ষম এবং সেটার প্রসার ও প্রচারনা সহজে করতে পারলেও সে তবুও বস্তু এবং বস্তুবাদের উর্ধ্বে অধিকতর চিন্তাভাবনায় পারদর্শী নয়। হয়তো ধ্বংসাত্বক হলে হতেও পারে।এটা কারো বস্তুবাদের সীমাবদ্ধতা আর কারো কারো আত্মিক ত্রুটি। কিন্তু মেডিক্যাল সাইন্সের দিক থেকে ভাবলে স্রস্টার চিন্তা আসলে প্রাচীন যুগের ধারাবাহিকতা এবং বর্তমান যুগের স্মার্ট মানুষদের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে। এর কোনটিকেই অবজ্ঞা করা যাবেনা। কেবল যেটা বাকি তা হল ধর্ম জীতে থাকবে নাকি দর্শনের বিস্তার হতে হতে একসময় মানুষ তার নিজেরই বস্তুবাদী ক্ষমতার ধ্বংসের দিকেই এভাবেই পা বাড়াচ্ছে। সৃস্টিকর্তা সর্বময় তাই তিনি মন্দের সৃস্টিগুলোকে মানুষের জন্য পছন্দের না হলেও তবু তাকে মানুষের ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত করেছেন আমরা সেটা জানি।আবার কেউ সেটা না জেনেই লাফাচ্ছে খুব-- সেটা কোন বিষয় নিয়েই হোক অথবা বাস্তবেই। যেহেতু আমরা এটা জানি এবং আরও জানতে চাইছি, তাই ধর্মের চিন্তাভাবনায় বস্তুকেও কিছুটা গুরুত্ব দিতে হবে 'একদমই' খালাস করলে চলবে না। নিজের শরীরটাও বস্তু এবং মেডিক্যাল সাইন্স রানার্স আপ হলেও এই আবিস্কার কিন্তু মানবাধিকারের অংশ।তাই যদি আমরা নিজের বুদ্ধিশুদ্ধি খাটিয়ে নিজস্ব্য ধর্মবিশ্বাসকে বস্তুবাদের সঙ্গে শতভাগ মিলিয়ে আমাদের প্রাচীনতম আত্মার জৈবীক কর্মকান্ডকে এখনকার বাস্তবে আরো একটু প্রমোশান করতে পারি তাহলে ভালো...। আল্লাহ আমাদের শরীরকে ক্ষমতাশালী করতে চান নাই। তিনি আমাদের আত্মার শক্তিকেই পরখ করছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটা বিশাল। তবে আমরা মধ্যযুগেই বাস করি। সভ্য সমাজ থেকে আলাদা হয়ে লাভ নেই কিছু। পুরাতন ধর্মান্ধদেরকে বর্তমানের ধর্মান্ধদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলে ভাল হয়।
মানুষের প্রতারনা করার প্রবনতার মাত্রা অপরিসীম। যতই সভ্যতার পথে চলতে গিয়ে কর্মের বৈচিত্র বেড়েছে সেটা কেউ বুঝলে পরে আর কর্মের নিরপেক্ষ মূল্যায়নে গেলে তার কাছে এটা মনে হতেই হবে যেন আসলে প্রতরনার ক্ষেত্রটাকেই মাল্টিস্টোরিড বিল্ডিংয়ের মত বাড়িয়েছে শুধু। জীবন ঘেঁসা বস্তুবাদী সফলতার এইসব ক্ষুদ্রস্বার্থের মনের মধ্যে না আছে কোন দর্শন না প্রকৃত কোন শিক্ষা। ধ্যান? সেটাতো শুধু ইস্টার্ন ষোগীদের মনোবাসনা!! ...যাদের শুধু খেয়েপরে জীবন চলেনা...। মাংসল এই অদ্ভূত সাম্রজ্য তাহলে কার? অন্যদিকে শিক্ষিত লোকেরা যে মাত্রায় Eccentric হয়েছে তার কারন 'হতাশ' বিশ্ব সভ্যতা। এই হতাশার হাত থেকে জাতীর কোন মুক্তি নাই। মানষিক রোগীকে পাগল বলে অদ্ভুত সব চিকিৎসা এরাই করেছিলো। এরা আবার ডাক্তার।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন